প্রথমত আমরা জেনে নেই কিভাবে কোষ্ঠ্য কাঠিন্য রোগের উৎপত্তি?
সব অসুখের উৎপত্তি হয় অনিয়মিত খাবার থেকে। যারা ঠিক মত পানি পান করে না অথচ শারীরিক পরিশ্রম বেশী করে, তৈলাক্ত খাবার বেশী খায় যেমন ফাস্ট ফুড. গরুর মাংস, খাসির মাংস, চিংড়ি মাছ, ইলিশ মাছ ইত্যাদি এই সব জাতীয় খাবার মলটাকে শক্ত করে ফেলে, ফলে ঠিক মত মল ত্যাগ করতে না পারলেই কোষ্ঠ্য কাঠিন্য রোগের উৎপত্তি হয়।
এখন আসা যাক কিভাবে এর নিরাময় করা যায়, দীর্ঘ দিন যাবৎ যারা এই রোগে ভোগছেন তাদের দুই বেলা ইসুব গুলের ভূসি খেতে হবে। প্রথমে সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে যতটুকু সম্ভব পানি পান করে নিন । এরপর একটি গ্লাসে ১ চামচ ইসুব গুলের ভূসি ভিজিয়ে রাখুন, নাস্তা খাওয়ার পর কর্মস্থল যাওয়ার পূর্বে ভেজানো ভূসিটি খেয়ে খেয়ে নিন। এভাবে সন্ধ্যার সময় ১ চামচ ইসুব গুলের ভূসি ভিজিয়ে রাখুন, এরপর রাতে খাওয়ার পর শোয়ার আগে ভূসিটি খেয়ে নিন। মনে রাখবেন শীতের সময় ভেজানো ইসুব গুলের সাথে একটু গরম পানি মিশিয়ে নিতে হবে।
প্রথমত কমপক্ষে ৩ থেকে ৪ মাস সব ধরনের মাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। সবজি জাতীয় খাবার বেশী খান, যেমন : লাউ, চাল কুমড়া, পেপে ইত্যাদি। রাতে খাবারের পর নিয়মিত এক বলকের এক গ্লাস করে দুধ পান করুন।
মৌসুমী ফল কমলা লেবু কোষ্ঠ্য কাঠিন্য এর জন্য খুব উপকারী ফল। সকালে ঘুম থেকে উঠে ২ টি কমলা লেবু খালি পেটে খেয়ে নিন। এরপর মল ত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত কোন শক্ত খাবার খাবেন না। মনে রাখবেন যাদের কোষ্ঠ্য কাঠিন্য রোগ আছে তারা সকালে খালি পেটে ও সন্ধ্যার পর ডাবের পানি খাবেন না। প্রতিদিন বিকেল বেলায় পাকা পেপে খাওয়ার অভ্যাস করুন।
আপনার যদি মা বাবা বেঁচে থাকে তাদের যন্ত করুন, তাদের কাছ থেকে দোয়া নিন। ভালো ভালো কাজ করুন, খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকুন। ইনশাআল্লাহ্ আল্লাহর রহমতে আপনি রোগ থেকে মুক্তি পাবেন।
Comments
Post a Comment